খরা হচ্ছে বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দূর্যোগের মধ্যে অন্যতম। দেশের প্রকৃতিতে খরার কারণে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। খরার কারণে অনেক ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয় এবং সেইসব সমস্যার মধ্যে ফসল বিনষ্ট হওয়া অন্যতম।
মূলত গ্রীষ্ম মৌসুমে বাংলাদেশে খরা দেখা দেয়।
খরা সৃষ্টির কারণসমূহ
নিচে খরা সৃষ্টির কারণসমূহ দেওয়া হলো:
- খরা সৃষ্টির জন্য পরিবেশগত বিপর্যয় দায়ী। যেমন: কোনো এলাকায় গাছপালার পরিমাণ কমে গেলে সে এলাকার খরা সৃষ্টি হয়।
- বাংলাদেশের অধিকাংশ শুকিয়ে গেছে। নদীনালা শুকানোর কারণে খরা দেখা দেয়।
- বর্তমানে বেশি চাষাবাদের প্রয়োজন পড়ে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জন্য। তাই জমি বারবার চায় করার কারণে মাটির নিচ হতে পানি তোলা যাচ্ছে যা শুষ্ক মৌসুমে সৃষ্টি হয়।
- বৃষ্টিপাতের স্বল্পতার কারণে বর্তমানে বাংলাদেশে খরা হয়ে থাকে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বেশ হুমকির মুখে। কারণ বাংলাদেশে শীতকাল েএখন দুমাস পিছিয়ে গেছে। তাই জলবায়ু পরিবর্তন খরার জন্য দায়ী।
- খরা সৃষ্টির জন্য বৃক্ষনিধন বেশি দায়ী। গাছপালার উপর নির্ভর করে একটি এলাকার বৃষ্টিপাত। গাছপালার অভাবে একটি এলাকার অনাবৃষ্টি দেখা যায়। তাই বৃক্ষনিধনের ফলে খরা, অনাবৃষ্টি দেখা যায়।
- বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমে যাওয়ায় খরার প্রবনতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- পরিবেশ দূষণের ফলে খরা হয়ে থাকে। যেমন: CO2, CFC, N2O গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে গেলে বায়ু উষ্ণতার ফলে খরা দেখা যায়।
আরও পড়ুন:
- নগরীয়তা কাকে বলে?
- মহাকাব্য কাকে বলে? মহাকাব্য হিসেবে মেঘনাদবধ কাব্যের সার্থকতা আলোচনা কর
- শহরায়ন বা নগরায়ন কাকে বলে?
- শহরায়ন ও নগরীয়তার মধ্যে সম্পর্ক গুলো লিখ
- ছয় দফা কর্মসূচী আসলে কি? ছয় দফা কর্মসূচীর দফা ছয়টি কি কি?
- অতি শহরায়ন কাকে বলে?
পরিশেষে বলা যায় যে, বাংলাদেশের জন্য খরা মারাত্মক ক্ষতিকর। খরা যদি প্রতিরোধ করা না যায় তবে আমাদের দেশের উপর বিরুপ প্রভাব ফেলবে তােই মানব সৃষ্টির কারণগুলো কমাতে হবে।



