আমরা জানি যে এসইও কে সাধারণত দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা: ১. অন পেজ এসইও ও ২. অফ পেজ এসইও।
এই অন পেজ এসইওর আবার প্রধান দুইটি অংশ হচ্ছে ইন্টারনাল লিংকিং ও এক্সটারনাল লিংকিং।
আজকে আমরা এই আর্টিকেলে আলোচনা ইন্টারনাল লিংকিং নিয়ে।
তাই দেরী না করে চলুন মূল আলোচনা শুরু করা যাক।
আমরা জানি যে বর্তমান সময়ে গুগলে একটি আর্টিকেলে রেংক করানো কতটা মুশকিল হয়ে দাড়িয়েছে।
তার উপর আপনার আর্টিকেল যদি আরও নিম্ন মানের হয়ে থাকে এবং সেখানে সঠিক ভাবে ইন্টারনাল লিংকিং করা না থাকে তাহলে আপনার আর্টিকেলটি রেংক করানো আরও কঠিন হয়ে দাড়াবে।
ইন্টারনাল লিংকিং আসলে কি?
আমরা যখন কোনো আর্টিকেল পড়ি তখন সেই আর্টিকেল এর ভিতর বিভিন্ন যায়গায় অন্যান্য আর্টিকেলকে লিংকিং করানো থাকে।
এখন এটি থাকতে পারে কোনো একটি ওয়ার্ডের ভিতর অথবা দুইটি প্রারাগ্রাফের মাঝখানে।
মূূলত এই ধরনের লিংকিং গুলোকেই বলা হয়ে থাকে ইন্টারনাল লিংকিং।
আরও পড়ুন:
- অর্গানিক ট্রাফিক কাকে বলে? | ওয়েবসাইটে অর্গানিক ট্রাফিক আনার উপায়
- ইন্টারনাল লিংক কি? | ইন্টারনাল লিংক তৈরি করার নিয়ম
- ফ্রিতে এসইও শেখার কি কোনো উপায় আছে?
- এক্সটারনাল লিংক কি? | এক্সটারনাল লিংক তৈরি করার নিয়ম
- সহজ ভাষায় এসইও কি?
ইন্টারনাল লিংকিং এর গুরুত্ব
আর্টিকেলের ভিতর সঠিকভাবে ইন্টারনাল লিংকিং করা থাকলে সেই আর্টিকেল এর উপর গুগলের ভালো প্রভাব পরে।
গুগলের কাছে মনে হয় যে আর্টিকেলটিতে যে টপিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে সেই বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য দেওয়া হয়েছে যা কিনা পাঠকদের অনেক উপকারে আসবে।
ফলস্বরূপ গুগল এই ধরনের আর্টিকেল গুলো সার্চ রেজাল্টে ভালো পজিশনে রেংক দিয়ে থাকে।
আশাকরি আর্টিকেলে ইন্টারনাল লিংকিং এর গুরুত্ব কতটা সে সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন।
ধন্যবাদ।



