বাংলার মুখ কবিতার মূলভাব আলোচনা কর

রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থটির কবির নাম হচ্ছে জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯-১৯৫৪)। বিমূঢ় যুগের বিভ্রান্ত এই কবি তাঁর কবিতাকে বাংলাদেশের রূপ রসকে আস্বাদন করে ফুলে ফসলে ভরিয়ে তুলেছেন।

কবি জীবনানন্দ দাশের সাধনা ছিল বাংলা প্রকৃতির সাধনা।

তিনি এই বাংলা প্রকৃতির সাথে একাত্ম হওয়ার জন্য নাগরিক জীবন ছেড়ে শিশির ভেজা মেঠো পথ বেয়ে নেমে এসেছে বাংলা নরম ঘাসে।

রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থটি কবি জীবনানন্দ দাশের রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। এবং এই কাব্যেরই অন্যতম আলোচিত একটি কবিতা হচ্ছে ‘বাংলার মুখ’।

এই বাংলার মুখ কবিতায় কবি বাংলার প্রকৃতির অপরূপ শোভা এঁকেছেন।

 

বাংলার মুখ কবিতার মূলভাব

 

জন্মভূমি বাংলাদেশকে কবি জীবনানন্দ দাশ সমগ্র সত্তা দিয়ে ভালোবেসেছেন। কবি জীবনানন্দ দাশের এই ভালোবাসা এমনই পরিপূর্ণ যে তিনি পৃথিবীর আর কোথাও বাংলাদেশের প্রকৃতি ও পরিবেশ, ঐতিহ্য ও ঐশ্বর্যের বিকল্প আছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন না।

কবি তার দুচোখ ভরে বাংলার এই রূপ বৈচিত্র দেখেছেন।

সেজন্যই কবি বলেছেন,

 

“বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি তাই আমি পৃথিবীর রূপ

খুঁজিতে যাইনা আর; অন্ধকারে জেগে উঠে ডুমুরের গাছে

চেয়ে দেখি ছাতার মতন বড়ো পাতাটির নিচে বসে আছে

ভোরের দোয়েল পাখি।”

 

বাংলার লোককাহিনীর সতী-সাধ্বী বধূ বেহুলাকেও তিনি পরম সমাদরে প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম করে স্মরণ করেছেন।

 

আরও পড়ুন:

 

পরিশেষে বলা যায় যে, কবি জীবনানন্দ দাশ তাঁর বাংলার মূখ কবিতায় সৌন্দর্যের সঙ্গে, নিসর্গের সহজ-সরল-সাবলীল ছন্দের সঙ্গে জীবনের যে সাযুজ্য খুঁজে পেয়েছেন, তারই রূপচিত্র গভীর মমতার সঙ্গে অঙ্কন করেছেন।

Spread the love

হ্যালো "ট্রিকবিডিব্লগ" বাসী আমি ওসমান আলী। দীর্ঘদিন থেকে অনলাইনে লেখালেখির পেশায় যুক্ত আছি। Trick BD Blog আমার নিজের হাতে তৈরি করা একটি ওয়েবসাইট। এখানে আমি প্রতিনিয়ত ব্লগিং, ইউটিউবিং ও প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টিপস এন্ড ট্রিক্স রিলেটেড আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি।

Leave a Comment