বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় একজন লেখক হচ্ছেন ’কিঙ্কর আহসান’। লেখক কিঙ্কর আহসানের অনেক পাঠকবৃন্দ রয়েছেন যারা তাঁর লেখা উপন্যাস অনেক পছন্দ করেন।
লেখক কিঙ্কর আহসানের লেখা কয়েকটি বইয়ের নাম হচ্ছে:
- মেঘডুবি,
- মধ্যবিত্ত,
- জলপরানি,
- রঙিলা কিতাব,
- বিবিয়ানা ইত্যাদি।
তাই আজকের এই আর্টিকেলে আমরা লেখক কিঙ্কর আহসানের উক্তিসমূহ নিয়ে হাজির হয়েছি।
লেখক কিঙ্কর আহসানের উক্তিসমূহ ২০২৬
লেখক কিঙ্কর আহসানের উক্তিসমূহ নিচে দেওয়া হলো:
১. কাউকে ছোট করে বড় হওয়া যায়না, বড় করে বড় হতে হয়!
~কিঙ্কর আহসান।
২. মন খারাপের দিনে কেউ একটু ভালোবাসলে, ভালো কথা বললে চোখ ঝাপসা হয়ে যায়!
~কিঙ্কর আহসান।
৩. আজ যারা ফিরিয়ে দিচ্ছে কাল তারাই কাছে পাবার জন্য মরিয়া হয়ে উঠবে!
~কিঙ্কর আহসান।
৪. পৃথিবী সমান দুঃখ বুকের ভেতর পুষে হেসে যাওয়া প্রাণীটার নাম মানুষ!
~কিঙ্কর আহসান।
৫. ‘আপনাকে দিয়ে হবেনা’ এটা যত দ্রুত মেনে নিবেন ততই ভালো। আমি আমারটা মেনে নেবার পর জীবন সহজ এখন!
~কিঙ্কর আহসান।
৬. না পেতে পেতে অভ্যস্ত মানুষগুলো হুট করে জীবনে কিছু পেয়ে গেলে এই পাওয়াটাকে অপরাধ বলে মনে করে!
~কিঙ্কর আহসান।
৭. সবকিছু আঁকড়ে ধরে রাখতে নেই, ভুল ভাঙানোর প্রয়োজনও ফুরিয়ে যায় এক সময়!
~কিঙ্কর আহসান।
৮. হারানোর বেদনা যার জানা নেই কোন কিছু আগলে রাখার চেষ্টা তার দেখা যায়না!
~কিঙ্কর আহসান।
৯. দেখেছি মানুষ মূলত ঘৃণাই পোষে বুকে,
হাসি ফোটে ঠিক মানুষের মুখে-
আরেক মানুষকে আঘাত করার সুখে!
~কিঙ্কর আহসান।
১০. মানুষ মূলত চলতে ফিরতে পারা কবর, জীবনের শেষ সময়ে এসে মাটির কাছে শরীরের বাকি অংশটা খুঁজে পায়, শেকড় গজায়…!
~কিঙ্কর আহসান।
১১. নিজেকে অতটা জরুরী ভাবার কিছু নেই। অতিরিক্ত আত্ববিশ্বাস অহংকারের দিকে মোড় নিলেই বিপদ!
~কিঙ্কর আহসান।
১২. মানুষ মন খুলে কথা বলুক। ভিন্ন মত মানেই সুন্দর। নিজের মতের সাথে না মিললেই কাউকে আঘাত করাটা ঠিক না!
~কিঙ্কর আহসান।
১৩. চলতি পথে পাশে থাকার অনুরোধ নিয়ে এলে যদি টের পাওয়া যায় কাছের মানুষদের নীরবতা তবে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায় মানুষ!
~কিঙ্কর আহসান।
১৪. জীবনে বড় হতে হলে আপনাকে অবশ্যই প্রতারক, ঠগবাজ, বিশ্বাসঘাতক হতে হবে। এর কোন বিকল্প নেই!
~কিঙ্কর আহসান।
১৫. মানুষ তুমি ঘৃণার চাষ করলে আজীবন, ভালোবাসতে শিখলে না…!
~কিঙ্কর আহসান।
১৬. কিছু মানুষ জীবনে আসেই চলে যাবার জন্য!
~কিঙ্কর আহসান।
১৭. ভালোবাসা না পেতে পেতে অভ্যস্ত মানুষকে ভালোবাসা হারানোর ভয় দেখিয়ে লাভ নেই!
~কিঙ্কর আহসান।
১৮. যে সম্পর্কে জবাবদিহি করতে কেউ রাজি নয় সেখান থেকে দ্রুত সরে আসাই মঙ্গল!
~কিঙ্কর আহসান।
১৯. মনে রাখবেন, যে যত বেশি নীরব, চুপচাপ সে তত বেশি শক্তিশালী, ক্ষমতাবান। নিকৃষ্টের বিপরীতে ভালোবাসা, ভালো ব্যবহার এবং বিনয় দেখানোটাই হলো সবচেয়ে বড় প্রতিশোধ!
~কিঙ্কর আহসান।
২০. একটা বয়সের পর বন্ধু, বন্ধুত্ব বলে আর কিছু থাকে না। সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত হয়। ভারিক্কি সব নাম দেওয়া হয় বন্ধুত্বের। লম্বা জীবনটা নিয়ম মেনে একাই টেনে নিয়ে যেতে হয় তখন!
~কিঙ্কর আহসান।
২১. আজকাল আমাদের আর কথা বলার, বোঝার মানুষ নেই শুধু ভুল বোঝার মানুষ আছে!
~কিঙ্কর আহসান।
২২. ফিরিয়ে দিলেও যাইনা ফিরে, ভাবছো আমি বোকা?
আমি যে তোমার হাতে আটকে পড়া ছোট্ট জোনাক পোকা!
~কিঙ্কর আহসান।
২৩. ‘ঝুম বৃষ্টি দেখে লুকাবো বলে,
নিজেকে ঢেকে নিয়েছিলাম পর্দার আড়ালে,
বুঝিনি তো আমি নিজেই হয়ে আছি উন্মুখ,
ভিজবো আজ বৃষ্টির জলে…!’
~কিঙ্কর আহসান।
২৪. মনে রাখবেন, অর্থ এবং ক্ষমতা ছাড়া বিনয়ের দাম নেই কারও কাছে। ধনী এবং ক্ষমতাবানরা কারও সাথে সামান্য ভালো ব্যবহার করলেই আমরা খুশিতে গদগদ হয়ে যাই। পৃথিবী এমনই নির্মম অনেক সত্য শেখায় প্রতিদিন। ভালো থাকতে হলে তাই মেনে নিন,মানিয়ে নিন।
~কিঙ্কর আহসান।
২৫. খারাপ মানুষদের কেউ ঘাটায় না। এটা এক ধরনের আশীর্বাদ বলে মনে হয় আজকাল!
ভালো মানুষ হবার যন্ত্রণা অনেক। সবাই জানে আপনাকে ঠকালেও বিপদ নাই।
~কিঙ্কর আহসান।
২৬. ভালোই ছিলাম, কেনো এলে?
কেনো মেশালে,
শান্ত জীবনে খাদ!
চলে গেলে?
যাও।
শিখিয়ে দাও,
কীভাবে ভুলে যেতে হয় হারানোর বিষাদ!
~কিঙ্কর আহসান।
২৭. মানুষ কী অবলীলায় আরেকজন মানুষকে ঠকিয়ে গর্ববোধ করে!
~কিঙ্কর আহসান।
২৮. ভালো মানুষরা যখন বাধ্য হয়ে খারাপ হয় তখন খুব বেশি খারাপ হয়ে যায়। ভয়ংকর খারাপ!
~কিঙ্কর আহসান।
২৯. আমি কোথাও চলে গেলে, হারাবার পর দুঃখ পেতে শেখো…!
~কিঙ্কর আহসান।
৩০. বয়স বাড়ার সাথে সাথে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে পৃথিবীটাকে অনেক বেশি পড়ে ফেলে। বুঝে যায়। জানে। ছেলেরা আজীবনের শিশু।বোকা। মেয়েরা চাইলে পারে না এমন কিছুই নেই। নিজের সকল অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করার অসাধারণ এক ক্ষমতা নিয়ে পৃথিবীতে আসে তারা। তাই কী?
~কিঙ্কর আহসান।
৩১. ছেড়ে চলে যায় সবাই, বাসবে ভালো একটুখানি?
নিজেই বুঝিনা নিজেকে, আমি মানুষটা কেমন জানি!
~কিঙ্কর আহসান।
৩২. আমাদের সবারই কারো না কারো, কিছু না কিছু মানুষের কাছে ক্ষমা চাইবার থাকে! অই মিলিয়ে যাওয়া মোমের মতোন ক্ষমার ইচ্ছেটুকুনই ব্যাস! ক্ষমা চাওয়া আর হয়না!
~কিঙ্কর আহসান।
৩৩. দূরের কেউ না বোঝে না বুঝুক, কাছের মানুষ অবুঝ কেনো হবে?
না বুঝলে ঝাঁঝরা হয় বুক, অভিমান হলে টের পাবে তারা কবে?
~কিঙ্কর আহসান।
৩৪. মধ্যবিত্তদের জীবন খুবই প্রেডিক্টেবল।
ম্যাজিকাল কিছু হয় না। এ জীবনে শুধুই টানাপোড়েন। কোনো সুখের গল্প নেই। সফলতার গল্প নেই।
~কিঙ্কর আহসান।
৩৫. আমি কোথাও চলে গেলেও,
হারাবার পর দুঃখ পেতে শেখো!
না পাওয়ার হাহাকার থেকে,
চলে গেলেও আমায় একটু মনে রেখো!
~কিঙ্কর আহসান।
৩৬. কেমন একটা শো অফের জীবন যাপন করছি সারাক্ষন। এই যে লোক দেখানো জীবন সেটা কী আসলেও আমার? ক্লান্ত লাগে খুব। আপনারা নিজেদের জীবন নিয়ে ক্লান্ত হন না?
~কিঙ্কর আহসান।
৩৭. ‘পুড়লে আকাশ,
মনও পোড়ে কছম বলছি ছাই,
অবহেলায় ঠিকই তাকাও,
ভালোবাসায় নাই…।’
~কিঙ্কর আহসান।
৩৮. মানুষ পুড়ে গেলে খুব,
চুপ হয়ে যায় আরও,
রাখেনি খোঁজ, তাইতো নিখোঁজ, জানতে তাকে-
এই গভীরে ডুবটা দিতে পারো!
~কিঙ্কর আহসান।
৩৯. চুপ থাকা মানে দুর্বলতা নয়। সবকিছু মেনে নেবার আরেক নাম ভালোবাসাও হতে পারে!
~কিঙ্কর আহসান।
৪০. একটা মানুষের ভেতর চুপি চুপি আরো কয়েকটা মানুষ থাকে!
মানুষ কী তা জানে?
~কিঙ্কর আহসান।
৪১. ঝড় হচ্ছে? হোক,
তবুও ঝাপসা হতে নেই আমার চোখ!
~কিঙ্কর আহসান।
৪২. ভালো নেই, পাও টের?
হারিয়েছে সব আগের –
আবেগ যা ছিল নেই অবশেষ,
আমাদের দূরত্ব এখন এক মহাদেশ!
~কিঙ্কর আহসান।
৪৩. ভেবেছো অপেক্ষায় থাকবো জনমভর?
মানুষ ঠিকই ভুলে যায়,
যেভাবে নদী শুকিয়ে জাগে চর!
~কিঙ্কর আহসান।
৪৪. কী করে বলি?
কথা এইসব বলা যায়না!
কত মানুষ কাছে আসে, পাশে বসে,
আমার দুঃখের নাগাল কেউ পায়না!
~কিঙ্কর আহসান।
৪৫. নিজেকে মূল্যবান ভেবেছিলাম অথচ বিনামূল্যে ভালোবাসার কাছে বিক্রি হচ্ছি রোজ!
~কিঙ্কর আহসান।
৪৬. ভালোবাসি, এই বলে ছুটে যেতে চাই পথে-প্রান্তরে আরও জোরে,
পৃথিবীতে কোটি কোটি মানুষ তবু একজনের জন্যই মন পোড়ে!
~কিঙ্কর আহসান।
৪৭. মাঝরাতে আমার মৃত্যু সংবাদ তোমার কাছে পৌঁছানো হোক,
সেদিন একটু কেঁদো, করলে না হয় লোকদেখানো শোক!
~কিঙ্কর আহসান।
৪৮. কাল সকালে যদি আর জেগে ওঠা না হয়,
না দেয় জানালায় রোদেরা এসে উঁকি,
ছেপে দিও তবে শোক সংবাদ!
‘একটা মানুষ মারা গেছে-চিরদুখী’।
~কিঙ্কর আহসান।
৪৯. অথচ আমি বই পড়ে সবটা জেনে বসে আছি, শুধু তোমাকেই জানা হলো না!
~কিঙ্কর আহসান।
৫০. যদি খুব করে চান কেউ আপনাকে ভুলে যাক তবে তার উপকার করুন। উপকৃত হবার সাথে সাথে সে আপনাকে ভুলে যাবে নিশ্চিত!
~কিঙ্কর আহসান।
৫১. সবকিছু আঁকড়ে ধরে রাখতে নেই, ভুল ভাঙানোর প্রয়োজনও ফুরিয়ে যায় এক সময়।
~কিঙ্কর আহসান।
৫২. তোমাকে পাওয়ার চেয়েও বেশি সুখ যে চাওয়ার প্রার্থনায়!
~কিঙ্কর আহসান।
৫৩. পুরুষের শেষ পেনশনে,
পুরুষ মরে টেনশনে!
~কিঙ্কর আহসান।
৫৪. মানুষ মানিব্যাগে টাকা জমায়
আর আমি জমাই স্মৃতি ।
মানুষের সাথে কাটানো
আড্ডা, আনন্দ-বিষাদের স্মৃতি!
~কিঙ্কর আহসান।
৫৫. না পেতে পেতে অভ্যস্ত মানুষ গুলো
হঠাৎ করে জীবনে কিছু পেয়ে গেলে,
এই পাওয়াটাকে অপরাধ বলে মনে করে!
~কিঙ্কর আহসান।
৫৬. প্যান্ট পড়া না পড়া নিয়ে চলছে বাহাস,
আমরা এমন এক জাতি যারা
মৃত্যু নিয়ে করি উপহাস!
~কিঙ্কর আহসান।
৫৭. কি দিয়ে কিনবে তাকে?
চেষ্টা যতই চলুক সে এমনই রবে,
মানুষ কখনো নিজেই নিজের হয়না
তোমার কিভাবে হবে?
~কিঙ্কর আহসান।
৫৮. বয়স বাড়ার সাথে সাথে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে
পৃথিবীটাকে অনেক বেশি পড়ে ফেলে। বুঝে যায়।
জানে। ছেলেরা আজীবনের শিশু। বোকা। মেয়েরা
চাইলে পারে না এমন কিছুই নেই। নিজের সকল
অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করার অসাধারণ এক ক্ষমতা
নিয়ে পৃথিবীতে আসে তারা। তাই কী?
~কিঙ্কর আহসান।
৫৯. যার বা যাদের মা বেঁচে নেই, তার
বা তাদের কাছে নিজের বেঁচে
থাকা মায়ের স্নেহ, মমতা
আদরের গল্প করাটা পাপ!
~কিঙ্কর আহসান।
৬০. চলে যাচ্ছে দিন
সকাল থেকে সান্ধে এইতো শেষ!
মানিয়ে নিয়েছি-
ভালো না থেকেও আজকাল,
ভালো আছি বেশ!
~কিঙ্কর আহসান।
আরও পড়ুন:
- লেখক সাদাত হোসাইন এর উক্তিসমূহ ২০২৬ [৬০টি উক্তি]
- জ্যাক মা‘র জীবন বদলে দেওয়া ১৫টি বাণী
- এ পি জে আবদুল কালামের জীবন বদলে দেওয়া ২৫টি বাণী
পরিশেষে, আশাকরি এই ‘লেখক কিঙ্কর আহসানের উক্তিসমূহ ২০২৬ [৬০টি উক্তি]‘ আর্টিকেলটি আপনার একটু হলেও ভালো লেগেছে।
![লেখক কিঙ্কর আহসানের উক্তিসমূহ ২০২৬ [৬০টি উক্তি]](https://trickbdblog.com/wp-content/uploads/2024/10/Screenshot_87.webp)


