বাংলাদেশে রোলেক্স ঘড়ির (Rolex Watch) আজকের দাম কত টাকা ২০২৬

Join Telegram Channel

বর্তমানে প্রায় প্রত্যেকের হাতেই মোবাইল ফোন রয়েছে এবং সেই ফোনের হোমপেজেই দেখা যায় সময়। তবুও বর্তমান প্রজন্মের কাছেও ফ্যাশন হিসেবে হাতের ঘড়ি অনেক জনপ্রিয়।

মার্কের্টে বিভিন্ন ব্রান্ডের ঘড়ি থাকলেও অধিকাংশ মানুষের প্রথম পছন্দ হচ্ছে রোলেক্স ব্র্যান্ডের ঘড়ি। এই ঘড়ি বিশ্বব্যাপি জনপ্রিয় এবং রোলেক্স ঘড়ির দামও আকাশচুম্বী।

প্রত্যেকে এই ‍Rolex Watch কেনার স্বপ্ন দেখলেও কিনতে পারে শুধু সামর্থবান ধনীরা। কারণ, একেকটি রোলেক্স ঘড়ির দাম ৬০,০০০ টাকা থেকে করে কয়েক কোটি টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

রোলেক্স ঘড়ির দাম কেন এত বেশি?, রোলেক্স ঘড়ি কেন এত জনপ্রিয়?, এত দাম দিয়ে মানুষ কেন রোলেক্স ঘড়ি কিনে?, বাংলাদেশে রোলেক্স ঘড়ির আজকের দাম কত টাকা ২০২৬ এইসব বিষয় সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পুরো আর্টিকেলটি পড়ুন।

এই আর্টিকেলে উপরোক্ত বিষয়গুলো নিয়ে নিচে আলোচনা করা হয়েছে।

 

রোলেক্স ঘড়ির দাম কেন এত বেশি?

 

রোলেক্স  ঘড়ির দাম কেন এত বেশি? কোম্পানি কি মানুষ বোকা বানিয়ে বেশি টাকা নিচ্ছে? আপনাদের মনেও যদি এইসব প্রশ্ন সমূহ ঘূরপাক খায় তা একদমই ভূল।

কারণ, রোলেক্স ঘড়ির দাম বেশি হওয়ার পেছনে অনেকগুলো যুক্তি সঙ্গত কারন রয়েছে।

নিচে রোলেক্স ঘড়ির কেন এত বেশি তার কারন গুলো দেওয়া হলো:

  • যেখানে অন্যান্য কোম্পানির ঘড়িতে ব্যবহার করা হয়ে ৯১৬ এল স্টেইনলেস স্টীল, সেখানে রোলেক্স ঘড়িতে ব্যবহার করা হয় ৯০৪ এল স্টেইনলেস স্টীল। এই ৯০৪ এল স্টেইনলেস স্টীল দেখতে অনেক চকচকে ও শক্তিশালী হয়ে থাকে। এবং এই স্টীল দিয়েই রোলেক্স ঘড়ির প্রায় প্রত্যেকটি মেশিনই তৈরি করা হয়।
  • ৯০৪ এল স্টেইনলেস স্টীল দিয়ে রোলেক্স ঘড়ির প্রত্যেকটি যন্ত্রপাতি তৈরি করা অনেক কষ্টসাধ্য একটি কাজ। ফলে সময় ও শ্রম দুটোই বেশি দিতে হয়।
  • রোলেক্স ঘড়িতে বিলাসবহূল হিসেবে প্রদর্শন করতে এতে ব্যবহার করা হয় মূলবান অনেক ধাতব বস্তু। যেমন: স্বর্ণ, মনি, মুক্তা ইত্যাদি।
  • রোলেক্স ঘড়ির প্রত্যেকটি যন্ত্রপাতি কোন প্রকার রোবটের সহযোগীতা ছাড়াই সম্পূর্ণ হাতের মাধ্যমেই অ্যাসেম্বেল করা হয়।
  • রোলেক্স ঘড়ির প্রতিটি ঘড়িতে নান্দনিক ডিজাইন দেওয়ার জন্য রয়েছে একদল সুদক্ষ ডিজাইনার টিম। যাদের কাজ হচ্ছে শুধু রোলেক্স ঘড়িকে নান্দনিক রূপ দেওয়া।

 

উপরোক্ত কারন গুলো ছাড়াও আরও এমন অনেক যুক্তি সঙ্গত কারন রয়েছে যার জন্য রোলেক্স ঘড়ির দাম এত বেশি।

 

রোলেক্স ঘড়ি কেন এত জনপ্রিয়?

 

 

এটা কমবেশি সবাই জানি যে ঘড়ি প্রেমীদের মাঝে রোলেক্স ঘড়ি হচ্ছে একটি স্বপ্নের নাম। এই ঘড়ির জনপ্রিয়তা এতটাই বেশি যে মানুষ এর আকাশচুম্বী দামের দিকে খেয়াল রাখে।

সামর্থবান প্রায় প্রত্যেক হাতেই রোলেক্স ঘড়ি দেখতে পাওয়া যায়।

রোলেক্স ঘড়ি এতটা জনপ্রিয় হয়ে উঠার পেছনে অনেক কারণ রয়েছে। এই ঘড়িকে বিলাসবহূল হিসেবে তৈরি করতে এতে মূল্যবান অনেক ধাতু যেমন: সোনা, হীরা, মুক্তা ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।

অন্যান্য কোম্পানি তাদের ঘড়িতে ৯১৬ এল স্টেইনলেস স্টীল ব্যবহার করলেও রোলেক্স কোম্পানি তাদের ঘড়িতে বেশি চকচকে দেখাতে ও শক্তিশালী হিসেবে তৈরি করতে তাদের ঘড়িতে ৯০৪ এল স্টেইনলেস স্টীল ব্যবহার করে।

৩৩০ ফুট পানির নিচেও রোলেক্স ঘড়ি আপনাকে সঠিক সময় দেখাতে সক্ষম। যা এই ঘড়ির প্রতি মানুষকে আরও বেশি আকৃষ্ট করে।

এসব ছাড়াও আপনি যদি একটি রোলেক্স ঘড়ি কিনেন তা অনায়াসেই কোন যান্ত্রিক ত্রুটি ছাড়াই ৫০ থেকে ১০০ বছর পর্যন্ত টিকসই হয়ে থাকে।

রোলেক্স ঘড়ির এইসব বিশেষ গুণাবলির কারণেই মূলত রোলেক্স ঘড়ি মানুষের কাছে এত বেশি জনপ্রিয়।

 

এত দাম দিয়ে মানুষ কেন রোলেক্স ঘড়ি কিনে?

 

উপরে ইতমধ্যে আলোচনা করেছি যে রোলেক্স ঘড়ির দাম কেন এত বেশি। এখন কথা হচ্ছে যে এত দাম দিয়ে মানুষ কেন রোলেক্স ঘড়ি কিনে? মার্কেটে ২০০ টাকা দিয়েও ঘড়ি কিনতে পারবেন। তাছাড়া বর্তমানে বাজারে এসেছে স্মার্ট ওয়াচ (Smart Watch) যা দামেও রোলেক্স ঘড়ির তুলনায় সস্তা।

তারপরেও মানুষ এত দাম দিয়ে কেন রোলেক্স ঘড়ি কিনে তার কারণ হচ্ছে শুরু থেকেই এমন একটা ট্রেন্ড চলে আসছে যে মানুষ ধনী হলেই তাদের হাতে রোলেক্স ঘড়ি থাকতে হবে। এতে তাদেরকে তাদের সোসাইটিতে সামঞ্জস্য করে তুলে।

তাছাড়া অনেক মানুষই বিলাসবহূল জীবন কাটাতে পছন্দ করে। আর রোলেক্স ঘড়ি বিলাসবহূল জীবনের একটি অংশ।

সাধারণ মানুষের পক্ষে রোলেক্স ঘড়ি কেনা সম্ভব হয় না। যাদের অঢেল টাকা রয়েছে, যারা ধনী তাদের পক্ষেই কেবল রোলেক্স ঘড়ি কেনা সম্ভব হয়।

এসব ছাড়াও রোলেক্স ঘড়িতে ব্যবহৃত মূল্যবান সব ধাতুর কারণে ও এর গুণগত মানের কারণেই মূলত এত দাম দিয়ে মানুষ রোলেক্স ঘড়ি কিনে থাকেন।

 

রোলেক্স ঘড়ির ইতিহাস

 

রোলেক্স ঘড়ির প্রতিষ্ঠাতার নাম হচ্ছে হ্যানস উইলসডর্ফ। তিনি প্রথমে সুইজারল্যান্ডের ঘড়ি তৈরি করার একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাজ্যে চলে যান এবং সেখানেই তার শ্যালক আলফ্রেড ডেভিসকে সাথে নিয়ে ১৯০৫ সালে ‘উইলসডর্ফ অ্যান্ড ডেভিস’ নামে একটি ঘড়ির তৈরি করার প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি তৈরি করেন।

তবে যে নাম তারা দিয়েছিল ‘উইলসডর্ফ অ্যান্ড ডেভিস’ এ নাম নিয়ে মনে খুঁত খুঁত ছিল উইলসডর্ফের।

সেই খুঁত খুঁতানি থেকে পরবর্তীতে ১৯০৮ সালে হ্যানস উইলসডর্ফ তার কোম্পানির নাম পরিবর্তন সহজ সবলীল একটি নাম দেন ‘রোলেক্স’ । যাতে করে প্রত্যেকেই খুব সহজেই এই নাম উচ্চারণ করতে পারে।

পরবর্তীতে যখন ব্রিটিশ সরকার ৩৩% শুল্ক আরোপ করে ঘড়ি রপ্তানিতে তখন ১৯১৫ সালে হ্যানস উইলসডর্ফ তার ’রোলেক্স’ কোম্পানির সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডে নিয়ে আসেন লন্ডন থেকে।

এই রোলেক্স কোম্পানিই সর্ব প্রথম ওয়াটারপ্রুফ ঘড়ি তৈরি করেছিলেন।

 

এক নজরে সকল রোলেক্স ঘড়ির আজকের দাম ২০২৬

 

এতক্ষণ আমরা রোলেক্স ঘড়ির বিভিন্ন দিক নিয়ে উপরে আলোচনা করলাম। এবার আমরা দেখবো যে এক নজরে সকল রোলেক্স ঘড়ির আজকের দাম ২০২৬।

নিচের টেবিলে বিভিন্ন রোলেক্স ঘড়ির নাম ও আজকের দাম দেওয়া হলো:

 

এক নজরে বাংলাদেশে সকল রোলেক্স ঘড়ির নাম ও আজকের দাম কত টাকা ২০২৬
নম্বররোলেক্স ঘড়ির নামটাকা
রোলেক্স ডেটোন রেফারেন্স ৬২৬ ইউনিকর্ন৫৬,২৬,২৬,৮৩২ টাকা
রোলেক্স বাও ডেই৪৮,৬৩,৩৮,৪৪৮ টাকা
 [ পল নিউম্যান‘স ] রোলেক্স ডেটোনা১,৬৯,৭৪,১৬,৫৪৪ টাকা
রোলেক্স অ্যান্টিমেগনেটিক রেফারেন্স ৪১১৩ (১৯৪২)২১,৯৩,২৯,১০৪ টাকা
[ মারলন ব্র্যান্ডো ] রোলেক্স জিএমটি-মাস্টার১৮,৬১,৪৩,৬৫৬ টাকা
[ জেক নিকোলাস ] রোলেক্স ডে-ডেট১১,৬৩,৩৯,৭৮৫ টাকা
[ এরিক ক্লাপসন ] রোলেক্স ওইস্টার আলবিনো কসমোগ্রাফ ডে টোনা১৩,৩৫,০৪,৬৭২ টাকা
[ জেমস বন্ড ] রোলেক্স সাবমেরিনার (১৯৭২)১৩,৪৮,০৬,৫৭৫ টাকা
রোলেক্স জিএমটি মাস্টার আইস৪,৬২,৮৩,২০৮ টাকা
১০[ স্টিভ মাইকুন্স ] রোলেক্স সাবমেরিনার২,২৩,১৪,৩৫২ টাকা
১১রোলেক্স প্লাটিনাম ডায়মন্ড পার্লমাস্টার২,৬৪,৯৫,৯০৯ টাকা
১২রোলেক্স সাবমেরিনার ডেট১২,৭১,৮২২ টাকা
১৩রোলেক্স কসমোগ্রাফ ডেটোনা১৬,০০,১৪৮ টাকা
১৪রোলেক্স কি ডিলার ওয়াস্টারস্টেল১৩,৬১,২৭০ টাকা
১৫রোলেক্স ডে ডেট৩২,৮৯,৯৩৬ টাকা
১৬রোলেক্স ডেট জাস্ট১৬,২১,১২৮ টাকা
১৭রোলেক্স পার্লমাস্টার কালেকশন৮২,৯৬,৩৬১ টাকা
১৮রোলেক্স ওয়েস্টার পারপেচুয়াল৫,৪৫,০০০ টাকা

 

 

সবচেয়ে সস্তা রোলেক্স ঘড়ির নাম কি ও দাম কত টাকা?

 

আমরা সবাই জানি যে রোলেক্স ঘড়ি যেমন জনপ্রিয় তেমনি এর দামও আকাশচুম্বী। রোলেক্স ঘড়ির অনেক বেশি এটা জানা সত্ত্বেও আমাদের অনেকের মাঝেই একটা প্রশ্ন ঘূরপাক খায় যে ‘সবচেয়ে সস্তা বা সবচেয়ে কম দামি রোলেক্স ঘড়ির দাম কত টাকা?’।

তাহলে চলুন আর দেরী না করে জেনে নেই যে সবচেয়ে সস্তা রোলেক্স ঘড়ির নাম কি ও দাম কত টাকা?

সবচেয়ে সস্তা রোলেক্স ঘড়ির নাম হচ্ছে, ‘ রোলেক্স ওয়েস্টার পারপেচুয়াল (Rolex Oyster Perpetual)’।

সবচেয়ে সস্তা রোলেক্স ঘড়ির নাম কি ও দাম কত টাকা? রোলেক্স ওয়েস্টার পারপেচুয়াল
রোলেক্স ওয়েস্টার পারপেচুয়াল

 

সবচেয়ে সস্তা রোলেক্স ঘড়ি অর্থাৎ রোলেক্স ওয়েস্টার পারপেচুয়াল ঘড়ির দাম হচ্ছে বাংলাদেশী টাকায় ৫,৪৫,০০০ টাকা বা ৫ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা।

আপনার আমার কাছে ৫ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা অনেক মনে হলেও যাদের টাকা আছে তাদের কাছে এটা কিছুই না।

 

সবচেয়ে দামি রোলেক্স ঘড়ির নাম কি ও দাম কত টাকা?

 

সবচেয়ে কম দামি রোলেক্স ঘড়ির নাম কি ও দাম কত টাকা তা উপরে জানলামই। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক যে রোলেক্স ঘড়ি তো দামি ঘড়ি। তবে সবচেয়ে দামি রোলেক্স ঘড়ির নাম কি ও দাম কত টাকা তা জেনে নেওয়া যাক।

সবচেয়ে দামি রোলেক্স ঘড়ির নাম হচ্ছে ‘পল নিউম্যান’স রোলেক্স ডেটোনা (Paul Newman’s Rolex Daytona)’।

সবচেয়ে দামি রোলেক্স ঘড়ির নাম কি ও দাম কত টাকা? পল নিউম্যান’স রোলেক্স ডেটোনা
পল নিউম্যান’স রোলেক্স ডেটোনা

 

সবচেয়ে দামি রোলেক্স ঘড়ির দাম বাংলাদেশি টাকায় হচ্ছে ১,৬৯,৭৪,১৬,৫৪৪ টাকা। টাকার সংখ্যাটা এত বড় যে গুনে শেষ করা যাবে না।

 

বাংলাদেশে রোলেক্স ঘড়ি কথায় পাওয়া যায়?

 

রোলেক্স ঘড়ি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পর হয়তো এবার আপনি জানতে চাচ্ছেন যে বাংলাদেশে রোলেক্স ঘড়ি কথায় পাওয়া যায়? বা বাংলাদেশে রোলেক্স ঘড়ির শোরুম কোথায়? কিংবা বাংলাদেশ থেকে কিভাবে রোলেক্স ঘড়ি কিনবো? সবগুলো প্রশ্নের উত্তরই আপনি এখানে পেয়ে যাবেন।

বাংলাদেশে রোলেক্স ঘড়ির বর্তমান শোরুমের নাম হচ্ছে ‘ওয়াচ শপ বিডি (Watch Shop BD)’। আপনি এদের শোরুমে গিয়ে দেখে শুনে রোলেক্স ঘড়ি কিনতে পারবেন। তাছাড়া আপনি অনলাইনের মাধ্যমেও Watch Shop BD থেকে রোলেক্স ঘড়ি কিনতে পারবেন।

 

অরজিনাল রোলেক্স ঘড়ি চেনার উপায় কি কি?

 

এত দাম দিয়ে রোলেক্স ঘড়ি কিনবেন কিন্তু তা আসল না নকল তা চিনতে পারলে বড় সমস্যায় পড়তে হবে। কারণ, রোলেক্স ঘড়ির অনেক কপি ঘড়ি মার্কের্টে পাওয়া যায়। তাই চলুন জেনে নেই যে অরজিনাল রোলেক্স ঘড়ি চেনার উপায় কি কি?

অরজিনাল রোলেক্স ঘড়ি চেনার উপায়:

  • অরজিনাল রোলেক্স ঘড়িতে ধাতব বস্তু বা সিড়িয়াল নাম্বার গুলো খুবই নিখুঁত ভাবে বসানো থাকে।
  • রোলেক্স ঘড়ি পানির ৩৩০ ফুট নিচেও সঠিক সময় দেখাতে পারে। তাই ঘড়িটিকে পানিতে ভিজিয়ে রাখলেও অরজিনাল রোলেক্স ঘড়ি চেনা যাবে।

 

ব্যাক্তিগত মতামত: যেহেতু অনেক টাকা দিয়ে রোলেক্স ঘড়ি কিনবেন তাই বিশ্বস্ত কারও কাছ থেকে যে পূর্বে রোলেক্স ঘড়ি কিনেছে তার কাছ থেকে জেনে শুনে এই ঘড়ি কিনবেন। এবং যেখান কিনবেন সেই শোরুমের ফিডব্যক কেমন তা চেক করে নিবেন।

 

আরও পড়ুন:

 

পরিশেষে, এই আর্টিকেলে রোলেক্স ঘড়ির দাম কেন এত বেশি?, রোলেক্স ঘড়ি কেন এত জনপ্রিয়?, এত দাম দিয়ে মানুষ কেন রোলেক্স ঘড়ি কিনে?, বাংলাদেশে রোলেক্স ঘড়ির আজকের দাম কত টাকা ২০২৬ ইত্যাদি এসব বিষয় সম্পর্কে উপরে আলোচনা করা হয়েছে।

আশাকরি আর্টিকেলটি আপনার একটু হলেও উপকারে এসেছে।

Spread the love
Join Telegram Channel

হ্যালো "ট্রিকবিডিব্লগ" বাসী আমি ওসমান আলী। দীর্ঘদিন থেকে অনলাইনে লেখালেখির পেশায় যুক্ত আছি। Trick BD Blog আমার নিজের হাতে তৈরি করা একটি ওয়েবসাইট। এখানে আমি প্রতিনিয়ত ব্লগিং, ইউটিউবিং ও প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টিপস এন্ড ট্রিক্স রিলেটেড আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি।

Leave a Comment