কিভাবে নাম্বার ঠিক রেখে সিম অপারেটর পরিবর্তন করবো?

Join Telegram Channel

আপনার ব্যবহৃত সিম অপারেটরটি যদি কল রেট বেশি নেয়, ভালো অফার না দেয় তবে আপনি চাইলেই এখন নাম্বার ঠিক রেখে যে সিম অপারেটর ভালো অফার দেয় সেই সিম অপারেটরে আপনার সিমটি বা নাম্বারটি চেঞ্জ করে নিতে পারবেন।

অর্থাৎ, আপনার নাম্বার যেটা ছিল সেটাই থাকবে, শুধু সিম অপারেটরটি পরিবর্তন হয়ে যাবে। গ্রামীণফোন থেকে রবি তে যেতে পারবেন, এয়ারটেল থেকে বাংলালিংকে যেতে পারবেন, বাংলালিংক থেকে টেলিটক এ যেতে পারবেন ইত্যাদি যে অপারেটরে খুশি সেই অপারেটরেই যেতে পারবেন।

সেজন্য আজকের এই ‘কিভাবে নাম্বার ঠিক রেখে সিম অপারেটর পরিবর্তন করবো?’ আর্টিকেলটি আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করবো।

তাই আর দেরী না করে চলুন মূল আলোচনা শুরু করা যাক।

 

নাম্বার ঠিক রেখে সিম অপারেটর পরিবর্তন করতে কি কি লাগবে?

 

নাম্বার ঠিক রেখে সিম অপারেটর পরিবর্তন করতে যা যা লাগবে:

  • সিমটি যার আঙুলের ছাপ দিয়ে তুলা তাকে উপস্থিত থাকতে হবে।
  • যদিও প্রয়োজন হয় না তারপরেও যার NID Card দিয়ে সিমটি রেজিস্ট্রেশন করা ছিল সেই NID Card টি নিবেন।
  • ১৫০-১৬০ টাকা বা এর চেয়ে কিছু কম বা কিছু বেশি খরচ পড়তে পারে।
  • যে সিমটির অপারেটর পরিবর্তন করতে চাচ্ছেন সে সিমটি সাথে নিয়ে যেতে হবে।

 

 

নাম্বার ঠিক রেখে সিম অপারেটর পরিবর্তন করার পূর্বে যা জানা প্রয়োজন

 

সিম অপারেটর পরিবর্তন করার আগে যা জানা প্রয়োজন:

  • আপনি যদি একজন পোস্ট পেইড গ্রাহক হয়ে থাকেন তাহলে সিম অপারেটর পরিবর্তন করার আগে আপনার বকেয়া যত টাকা আছে তা পরিশোধ করতে হবে।
  • আপনি যদি একজন প্রিপেইড গ্রাহক হয়ে থাকেন তাহলে নতুন অপারেটরে পোস্ট পেইড গ্রাহক হতে পারবেন না। আবার, আপনি যদি একজন পোস্ট পেইড গ্রাহক হয়ে থাকেন তাহলে নতুন অপারেটরে প্রিপেইড গ্রাহক হতে পারবেন না।
  • আপনার পূর্বের অপারেটরে যদি অব্যবহৃত কোনো ব্যালেন্স যেমন: মিনিট, টাকা, এসএমএস ইত্যাদি থেকে থাকে তা নতুন অপারেটরে স্থানান্তর হবে না। তাই সিম অপারেটর পরিবর্তন করার আগে সিমে কোনো ব্যালেন্স থাকলে তা আগে শেষ করে নিবেন।
  • আপনি যদি সিম অপারেটর পরিবর্তন করার পর আবারও সেই সিমটির অপারেটর পরিবর্তন করতে চান, তবে সেই ক্ষেত্রে আপনাকে ৯০ দিন অপেক্ষা করতে হবে। তারপর আবার অপারেটর পরিবর্তন করতে পারবেন।

 

 

নাম্বার ঠিক রেখে সিম অপারেটর চেঞ্জ বা পরিবর্তন করার নিয়ম

 

নাম্বার ঠিক রেখে সিম অপারেটর চেঞ্জ বা পরিবর্তন করার নিয়ম নিচে দেওয়া হলো:

আপনি বর্তমান অপারেটর পরিবর্তন করে যে অপারেটরে যেতে চান। যেমন: মনে করেন যদি গ্রামীণফোন থেকে রবিতে যেতে চান তাহলে রবি সিমের কাস্টমার কেয়ারে যেতে হবে আবার যদি বাংলালিংক থেকে টেলিটকে যেতে চান তাহলে টেলিটকের কাস্টমার কেয়ারে যেতে হবে।

অর্থাৎ, আপনি বর্তমান অপারেটর থেকে নতুন যে অপারেটরে যেতে চান আপনাকে সেই নতুন অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ারে আপনাকে যেতে হবে।

কাস্টমার কেয়ার গিয়ে তাদের বলবেন যে, আপনি সিম অপারেটর চেঞ্জ বা পরিবর্তন করে তাদের অপারেটরে আসতে চান।

তারপর যা করার তারাই করে দিবে।

তবে অবশ্যই যে সিমটির অপারেটর চেঞ্জ করতে চান সেটি সাথে করে নিয়ে যাবেন এবং সেই সিমটি যার আইডি কার্ড ও ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়ে তুলা ছিল তাকেও সাথে করে নিয়ে যাবেন।

তারপর কাস্টমার কেয়ারে তারা আপনাকে আপনার সিমের অপারেটর পরিবর্তন করে দিবে।

 

আরও পড়ুন:

 

পরিশেষে, আশাকরি এই ‘কিভাবে নাম্বার ঠিক রেখে সিম অপারেটর পরিবর্তন করবো?’ আর্টিকেলটি আপনার একটু হলেও উপকারে এসেছে। কোথাও বুঝতে অসুবিধে হলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন।

Spread the love
Join Telegram Channel

হ্যালো "ট্রিকবিডিব্লগ" বাসী আমি ওসমান আলী। দীর্ঘদিন থেকে অনলাইনে লেখালেখির পেশায় যুক্ত আছি। Trick BD Blog আমার নিজের হাতে তৈরি করা একটি ওয়েবসাইট। এখানে আমি প্রতিনিয়ত ব্লগিং, ইউটিউবিং ও প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টিপস এন্ড ট্রিক্স রিলেটেড আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি।

Leave a Comment