ব্লগারের পোস্ট লেখার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হয়। যা আমরা অনেকেই জানি না। যার ফলে অনেক কষ্ট করে আর্টিকেল লেখার পরেও আর্টিকেলটি গুগলে রেংক করে না এবং গুগল থেকে ভালো পরিমাণ ভিজিটরও আসে না।
ভিজিটর না থাকার ফলে ওয়েবসাইট থেকে তেমন একটা ইনকাম হয় না। এতে করে ধীরে এক সময় ব্লগাররা হতাশ হয়ে পরে এবং ব্লগিং ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা করে।
এই আর্টিকেলে আমি Blogger post লেখা সম্পর্কে ৮টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস সেয়ার করব আপনাদের সাথে।
টিপস গুলো মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।
Blogger post লেখার ৮টি টিপস
১. পোস্ট লেখার সময় প্রথমে ভালো ভাবে কীওয়ার্ড রিসার্চ করে নিতে হবে। কারন আর্টিকেল লেখার পিছনে আমাদের মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে আর্টিকেলটিকে গুগলে রেংক করানো এবং সেখান থেকে অর্গানিক ভিজিটর আনা।
২. এমন কীওয়ার্ড গুলোকে সিলেক্ট করবেন যেগুলোর সার্চ ভলিয়ম কিছুটা কম যেই কীওয়ার্ড গুলো নিয়ে গুগলে বেশি আর্টিকেল লেখা হয়নি।
৩. আপনি যে কীওয়ার্ডটা সিলেক্ট করেছেন সেটি নিয়ে গুগলে সার্চ দিবেন এবং প্রথম ৫টি আর্টিকেল পড়বেন। এতে করে আপনি আপনার নির্বাচিত কীওয়ার্ডটি সম্পর্কে নিজের জ্ঞান সমৃদ্ধ করতে পারবেন।
৪. আপনার নির্বাচিত কীওয়ার্ডটি সম্পর্কে অন্যরা কীভাবে আর্টিকেল লিখেছে যার ফলে তারা প্রথমে রেংক করতেছে সেটি বুঝার চেষ্টা করবেন। অর্থাৎ তাদের আর্টিকেল স্ট্রাকচার বুঝার চেষ্টা করবেন।
৫. আপনার নির্বাচিত কীওয়ার্ডটির সাথে সেই কীওয়ার্ডটির রিলেটেড যেসব কীওয়ার্ড রয়েছে সেগুলোও খুজে বের করবেন। যেমন: মনের আপনার মূল কীওয়ার্ড হচ্ছে, ‘মোবাইল ফোন’, এখন আমি যদি এটির একটি রিলেটেড কীওয়ার্ড হচ্ছে, ‘মোবাইল ফোনের প্রাইস’।
৬. আর্টিকেলে হেডিং, সাব হেডিং, এগুলোর সঠিক ব্যবহার করতে হবে।
৭. আর্টিকেলের ভিতর ইন্টারনাল ও এক্সটারনাল লিংকিং করতে হবে।
৮. সবশেষে সুন্দরভাবে পর্যাপ্ত তথ্য উপাত্ত দিয়ে ভালোভাবে একটি আর্টিকেল তৈরি করুন যাতে ভিজিটররা আপনার আর্টিকেল পড়ে কিছু জানতে বা শিখতে পারে।
আরও পড়ুন:
- নতুন ব্লগার হতে কি কি কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করা উচিত ২০২৪?
- ব্লগিং করতে হলে কী কী শিখতে হবে?
- ব্লগিংয়ে সফল হওয়ার ১০টি কার্যকরী উপায়
- চাকরি ছাড়া কি আয় করার কোনো উপায় আছে?
এই বিষয় নিয়ে আপনার যদি আরও কোনো প্রশ্ন থেকে থাকে তা কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন।
ধন্যবাদ।



